৬ মাস মেয়াদি কম্পিউটার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত


৬ মাস মেয়াদি কম্পিউটার অফিস এ্যাপ্লিকেশন কোর্স ২০১৭ইং সালের ১ম ব্যাচের পরীক্ষা আগামী ১৬ই জুন  লালমোহন উপজেলাধীন লালমোহন ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ধলীগৌরনগর কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছেন লালমোহন উপজেলা পোস্ট ই সেন্টার, বালুর চর পোস্ট ই সেন্টার, ফুলবাগিচা পোস্ট ই সেন্টার সহ প্রায় ই সেন্টারসমুহ নিম্নে ছাত্র ছাত্রদের একাংশ

 

IMG_20170615_101219075_ZDateMark


0001

সাশ্রয় করুন ইন্টারনেট ডেটা


আইসিটি নিউজঃ

তারহীন প্রযুক্তির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে অনেকেই সাধারণ একটা সমস্যার মুখোমুখি হন প্রায়ই। ব্যবহার না করলেও Internet প্যাকেজের নির্ধারিত পরিমাণের Data (সাধারণত মেগাবাইট বা এমবি) কেনার কিছু সময় পরই সব Date শেষ হয়ে যায়। ফলে Internet বিলে বাড়তি খরচ মেটাতে হয়।

Computer বা বহনযোগ্য যেকোনো যন্ত্রে Internet সংযোগ নেওয়ামাত্র সেগুলো তাদের সিস্টেম বা অ্যাপলিকেশনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ করা শুরু করে। এসব Settings বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আগে থেকে ঠিক করা থাকে। তাই ব্যবহারকারীর অজান্তেই Internet Data খরচ হতে শুরু করে। Computer  মুঠোফোন বা বহনযোগ্য যন্ত্রের স্বয়ংক্রিয় হালনাগাদ নিয়ন্ত্রণ করে অযথা ইন্টারনেট ডেটা খরচের ব্যাপারটা কমিয়ে আনা যায়। যদিও ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা এবং উন্নত ব্যবহার নিশ্চিত করতে স্বয়ংক্রিয় হালনাগাদ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।

কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা ইচ্ছে করলে তাঁদের অপারেটিং সিস্টেমের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন। Windows 7 এবং Windows 8 অপারেটিং সিস্টেম চালিত Computer হলে Control Panel/System and Security/Windows Update পর্যন্ত গিয়ে Change Settings ক্লিক করে ইম্পোর্টেন্ট আপডেটস মেনু থেকে Never check for updates অপশনটি নির্বাচন করে দিন। অথবা Start Menu তে ক্লিক করে Search বাক্সে Update লিখে ফলাফল থেকেও Windows আপডেট অপশনটি পাওয়া যাবে। Windows 10 সিস্টেম হলে Start মেনুতে ক্লিক করে Settings/Network & Internet/Advanced Option/Set as metered connection চালু করে দিন। অ্যান্ড্রয়েড মুঠোফোন ব্যবহারকারী হলে Play store  অ্যাপটি চালু করুন। ওপরে বাঁয়ে থাকা সেটিংস মেনুতে চাপ দিয়ে আবার Settings অপশনে চাপ দিন। প্রথমেই থাকা Auto-update apps অপশনে চাপ দিয়ে Do not auto-update apps অপশনটি চেপে দিন।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন

কম্পিউটার যখন–তখন বন্ধ হলে কি করবেন জেনে নিন


Screenshot_29

আইসিটি নিউজঃ

চালু কম্পিউটার কিছুক্ষণ পরপর হঠাৎ বন্ধ হয়ে আবার চালু (রিস্টার্ট) হয়, এমন সমস্যায় মাঝেমধ্যেই পড়তে হয়। এমনটা হলে বিচলিত হয়ে পড়েন ব্যবহারকারী। হতে পারে এটা সফটওয়্যারের কোনো সমস্যা কিংবা যন্ত্রাংশের সমস্যা। বেশির ভাগ সময় নিজেই এর সমাধান বের করা যায়। অন্তত ধারণা পাওয়া যাবে আসলে ঠিক কী কারণে এমন ঘটছে।

হঠাৎ করে কম্পিউটার বন্ধ হওয়ার সমস্যা কেন হচ্ছে, তা খুঁজে বের করতে Windows key + R চেপে রান প্রোগ্রাম চালু করুন। এবার sysdm.cpl লিখে এন্টার করুন বা ডেস্কটপের কম্পিউটার আইকনে ডান ক্লিক করে প্রপার্টিজে ক্লিক করুন। এখানে বাঁ পাশের Advanced system settings-এ ক্লিক করুন। দুই ক্ষেত্রেই সিস্টেম প্রপার্টিজ উইন্ডো আসবে। সিস্টেম প্রপার্টিজ এলে Advanced ট্যাবে ক্লিক করে Startup and Recovery বোতামের নিচে Settings-এ ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডো খুললে এর মধ্যে থাকা System failure অপশনের নিচে Automatically restart অপশন থেকে টিকচিহ্ন উঠিয়ে দিন। Write an event to the system log-এ টিক দিয়ে ওকে করুন। ফলে এখন থেকে কিছু হলেও হঠাৎ করে Computer বন্ধ হয়ে আবার চালু (রিস্টার্ট) হবে না। কম্পিউটারে সমস্যা হলে কিছু লেখাসহ একটা নীল পর্দা দেখা যাবে। Microsoft এটাকে স্টপ ERROR বললেও উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্লু স্ক্রিন অব ডেথ বা বিএসওডি নামেই ব্যাপক পরিচিত।

এই নীল পর্দা বা ব্লু স্ক্রিনে ভেসে থাকা লেখাগুলো থেকেই প্রাথমিকভাবে বোঝা যাবে কম্পিউটারে আসলে ঠিক কী সমস্যা হচ্ছে। সব লেখা পড়ে হয়তো বোঝা যাবে না, কারণ অনেক কারিগরি তথ্য থাকে। তবে পর্দার ওপরের দিক থেকে দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বড় করে থাকা লেখাটাই আসলে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ লেখাটি কোথাও লিখে রাখুন।

এবার কম্পিউটার পুনরায় চালু করে Google অনুসন্ধানের মাধ্যমে Internet থেকে জেনে নিন এই Computer ত্রুটির আসল কারণ কোনটি। এটা কি কোনো সফটওয়্যারের কারণে ঘটছে? সমস্যাটি র্যামের ত্রুটির কারণেও হতে পারে। আবার নতুন কোনো যন্ত্রাংশ ঠিকমতো ইনস্টল বা সমর্থন না করলেও এ রকম হতে পারে। মূল কারণ বের করে ফেললে সমস্যার সমাধান বের করা খুব একটা কঠিন হবে না, আশা করা যায়।

 

 

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন

I will do any website, blog research


Compare Packages

$5 $10 $20

Basic

Standard

Premium

Description Silver 40 Data Collection Gold 80 Data Collection Diamond 100 Data Collection
Email, Phone, Websites, Address, LinkedIn, Contact Name, Title any other info Email, Phone, Websites, Address, LinkedIn, Contact Name, Title any other info Email, Phone, Websites, Address, LinkedIn, Contact Name, Title any other info
Revisions

1 1 1
Delivery time 2 days 3 days 5 days
Edit Edit Edit

About This Gig

All my gigs are confirmed for my hard work and all my best rated regular customers are my Friends.
and all my files is my Inspiration.
I am Student of Computer Science and I work 10 hours per day in online also fiverr.com
I expect long Term joint.

 

Please give me a work.

I will 100 types of quality blog comments submitted


nurealam_nur@fiver.com

View my Gig profile and order work

Screenshot_20

About This Gig

For just Rank of your site, a blog comment is the first step for you.
I have an activity about this, I am expert because blog commenting is an essential for my site…………..
I will 100 types of quality blog comments submitted

অাপনার প্রিয় জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জেনে নিন!!!



১২৩৫ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গোপসাগরের মাঝে বিশাল একটি চরের উত্থান হয়। ১৩০০ খ্রিস্টাব্দে সেই চরে লোকজন বসতি শুরু করতে থাকে। ১৫০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুরা দ্বীপটি দখল করে ঘাঁটি স্থাপন করে। ঐ সময় সম্রাট আকবরের অন্যতম সেনাপতি শাহবাজ খান মগ বর্তমান দৌলতখানে একটি দূর্গ স্থাপন করেন। তাঁর নামানুসারে সুবেদারি আমলে দ্বীপটির নামকরণ করা হয় শাহবাজপুর। কালের বিবর্তনে পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন করে ভোলা রাখা হয়। ৩৪০৩.৪৮ বর্গ কি.মি. আয়তনের দ্বীপটি ১৯৮৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের একটি প্রশাসনিক জেলা হিসাবে পথচলা শুরু করে এবং সাম্প্রতিক সময়ে “কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ” উপাধি পায়।
বাংলাদেশের সবেচেয়ে বড় দ্বীপ এবং একমাত্র দ্বীপজেলা ভোলার উত্তরে ও পূর্বে মেঘনা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তর-পূর্ব কোণে ইলিশা, দক্ষিণ-পূর্ব কোণে শাহাবাজপুর এবং পশ্চিমে তেঁতুলিয়া নদী বহমান।
ভোলার নদী পথ অনেকটা এলাকা জুড়ে বিস্তৃর্ণ। ভোলা জেলার আভ্যন্তরীণ নৌ-পথগুলো ছাড়াও রাজধানী ঢাকার সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি নৌ-রুট। প্রত্যেকটি রুটের’ই রয়েছে নিজস্ব নৌযান এবং নিজ নিজ রুট স্বকীয়তা। যার ফলে স্থানীয় লোকজন নিজ নিজ এলাকা হতে রাজধানী ঢাকা অথবা নির্দিষ্ট গন্তব্যপথ পাড়ি দিতে পারছে খুব সহজেই।
ভোলা জেলার উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্ববহ নৌ-পথগুলো হলো,

ভোলা – ঢাকা : ভোলা লঞ্চঘাট থেকে যাত্রা শুরু করে কোন প্রকার বিরতি ছাড়া ১৯৫ কি.মি. নদীপথ সরাসরি পাড়ি দিয়ে ঢাকা নদী বন্দরে পৌঁছানোর মাধ্যমে এ রুটের নৌ-যানগুলো যাত্রার সমাপ্তি করে। দ্রুতগামী, মানসম্মত সেবা ও বিলাসবহুলতার চিহ্ন হিসেবে বিবেচনা করা হয় ভোলা – ঢাকা’র নৌ-যানগুলোকে। এ রুটের নৌ-যানগুলো হলো, এম.ভি ভোলা, সম্পদ, বালিয়া, দিঘলদী, কর্ণফুলী-৯, ১০ ও ১১ এবং গ্লোরি অব শ্রীনগর-৭। বলতে গেলে, ভোলার প্রায় সব লোকই যাতাযাতের মাধ্যম হিসেবে নৌ-পথকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। ফলে ভোলাবাসীর যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে নৌ-যানগুলো অনেকটাই আস্থার প্রতীক।

বলা বাহুল্য, ভোলা কলঘাট এলাকায় একসময় স্টিমারঘাট ছিল। নদী ছোট হওয়ার মিছিলে হারাতে হয়েছে সেই ঐতিহ্য। যা এখন কেবল ধুলোপরা ইতিহাসের সাক্ষী।
দৌলতখাঁন – ঢাকা : দৌলতখাঁন – ঢাকা রুটের নৌ-যাগুলো যাত্রা শেষ করে ১৭৯ কি.মি. নৌ-পথ পাড়ি দেবার মাধ্যমে। পথের মাঝে তুলাতলি, কাঠিরমাথা, দাশেরহাট, বিশ্বরোড, বঙ্গেরচর, মল্লিকপুর, কালিগঞ্জ ঘাটগুলো ধরে ঢাকা যায়। এ রুটে যে সব পণ্যের চালান ঢাকায় পাঠানো হয় তার মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ অন্যতম। তবে ইলিশ মাছের চালান সর্বাধিক। পণ্যের চালান ও যাত্রীর কলরবে বেশ জাকজমকপূর্ণ নৌ-রুটে পরিণত হয়েছে দৌলতখাঁ – ঢাকা রুট। এ রুটের নৌ-যানগুলো হলো কর্ণফুলি -১, এম.ভি ফ্লোটিলা, টিপু এবং ফারহান।
বেতুয়া (চরফ্যাশন) – ঢাকা : এই রুটটি অত্যন্ত গুরুত্ববহ ও জনপ্রিয় রুট। স্থানীয় লোকজনের পাশাপাশি অন্যদের কাছেও দিনদিন রুটটি বেশ পছন্দের হয়ে উঠছে। বিশেষ করে পর্যটকদের কাছে। বেতুয়া (চরফ্যাশন) হতে এ নৌরুটের নৌযানগুলো পর্যায়ক্রমে হাকিম উদ্দিন, সরাশগঞ্জ, মির্জাকালু, তজুমদ্দিন, শশীগঞ্জ, সি-ট্রাক ঘাট, মঙ্গল সিকদার ঘাট হয়ে ২৪৬কি.মি. সুদীর্ঘ পথ পাড়ি দেবার মাধ্যমে যাত্রা শেষ করে। এ রুটে চলাচলকারী লঞ্চ এম.ভি ফারহান-৫ ও ফারহান-৬ বৃহদাকার এবং আধুনিক মানের। ব্যবসায়িক পণ্য এবং ইলিশ মাছের পাশাপাশি মৌসুমভেদে তরমুজ, শশা, সুপারি, পান, শুঁটকি, নারিকেল রাজধানীতে পাঠানো হয় এ রুটের নৌযানগুলোতে।
হাতিয়া – মনপুরা – ঢাকা : এই নৌ পথটি জনবহুল ও জনপ্রিয় রুটের মধ্যে অন্যতম। এর প্রধান কারণ, ভোলা জেলার মূল ভূ-খন্ড হতে বিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দ্বীপ মনপুরার মানুষের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা নৌযান। হাতিয়া থেকে যাত্রা শুরু করে মনপুরা, কালিগঞ্জ, বিশ্বরোড, দৌলতখাঁ, হাকিমউদ্দিন, সরাশগঞ্জ, মির্জাকালু, তজুমদ্দিন ঘাট দেয়া শেষে রাজধানি ঢাকা যায় ২৩৩ কি.মি. নদী পথ পাড়ি দিয়ে। এ রুটের চলাচল করে আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন নৌ-যান ফারহান-৩ এবং ফারহান-৪।  অন্যান্য রুটের মত এ রুট দিয়েও সব ধরণের পণ্য, মালামাল আনা নেয়া করা হয়। সাথে ইলিশ ও অন্যান্য প্রজাতির মাছতো আছেই।

বলে রাখা ভালো, হাতিয়া মূলত নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত বেশ কয়েকটি উপকূলীয় দ্বীপ নিয়ে গঠিত নদীবেষ্টিত একটি উপজেলা। যার মধ্যে নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের দ্বীপ হিসেবে পরিচিত নিঝুমদ্বীপ অন্যতম। কাজেই নদীবেষ্টিত জনপদ হওয়ায় এখানকার মানুষের অন্যতম পছন্দের নৌ-রুট এটি।
হাজীরহাট (মনপুরা) – চাঁদপুর – ঢাকা : খুব বেশিদিন হয়নি এ রুটে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। এ জনপদের মানুষ আগে মনপুরা দিয়ে রাজধানীতে যাতায়ত করতো। এতে তাদের সময় নষ্টসহ অনেক ভোগান্তি পোহাতে হতো। তাইতো ব্যবসায়ি এবং যাত্রী সাধারণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে নতুন এ রুটটি চালু করা হয়েছে। অল্পদিনে ঢাকা – হাজীরহাট রুটটি বেশ জনপ্রিয় রুটের একটি হয়ে উঠেছে। হাজীরহাট থেকে যাত্রা শুরু করে রামনেওয়াজ, তজুমদ্দিন, মির্জাকালু, সরাশগঞ্জ, হাকিমদ্দিন, দৌলতখাঁ, লুদুয়া, মতিরহাট, বিশ্বরোড, কালিগঞ্জ ঘাট ধরে ঢাকা সদরঘাটে পৌঁছে দীর্ঘ যাত্রার ইতি টানে। এ রুটের লঞ্চ এম.ভি টিপু-৫ এবং পানামা। এখান দিয়েও একই ধরণের পণ্য আনা-নেয়া করা হয়।
ঘোষেরহাট – নাজিরপুর – ঢাকা : এ রুটটি বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয় বলা যায়। ২০৭ কি.মি. সু প্রসারিত এই নৌ-পথটি পাড়ি দিতে নৌ-যানগুলো ফতুল্লা, ধুলিয়া, দেউলা, দেরীরচর, কচুখালি, গজারিয়া,  পাংগাশিয়া লঞ্চ ঘাটের পল্টুনগুলো ধরে ছুটে চলে ঢাকা নদী বন্দরের দিকে। এখান দিয়েও সব ধরণের পণ্য, মালামাল আনা-নেওয়া করা হয়, সাথে শুঁটকিও। কর্ণফুলি -৪, সাব্বির, শাহরুখ, প্রিন্স অব রাসেল এ রুটের অন্যতম জনপ্রিয় নৌযান।
লালমোহন – ঢাকা : লালমোহন – ঢাকা নৌপথের ব্যাপ্তি ২০১ কি.মি.। এতটা দীর্ঘ পথের মধ্যে নৌযানগুলো নাজিরপুর, দেবীরচর, ভেরীর মাথা, ফরাসগঞ্জ ঘাটে নির্দিষ্ট সময় যাত্রা বিরতি করে থাকে। যাত্রী, ব্যাবসায়িক পণ্যসহ অন্যান্য পণ্যের চালান করা হয় উক্ত নৌপথের মাধ্যমে। কাজেই বেশ জমজমাট রুট এটি। এই রুটের নৌযান গ্লোরি অব শ্রীনগর-৩ ও কর্ণফুলী-৩ দু’টোই বিলাসবহুল।
লেতরা – ঘোষেরহাট – ঢাকা : ২০৭ কি.মি. দীর্ঘ এ নৌ রুটটি বর্তমানে পরিচিত রুটের একটি। এ রুটের নৌযানগুলো ধুলিয়া, দেবীর চর, দেউলা, নাজিরপুর, গজারিয়া,  চর কলমি, বোয়ালখালি, বকসি ভায়া ঘাট ধরে রাজধানী ঢাকা গিয়ে যাত্রার সমাপ্তি করে। এখান থেকেও শুঁটকির চালান যায়। পাশাপাশি অন্যান্য পণ্যতো আছেই। চলাচলকারী নৌ-যান জামাল-১ এবং জামাল-৩।
বোরহানউদ্দিন – গঙ্গাপুর – ঢাকা : এ রুটের চলাচলকারী নৌযানগুলো গঙ্গাপুর, ধুলিয়া, মাঝিরহাটের পথ ধরে ১৯৮ কি.মি. দীর্ঘ নৌ-পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকা নদী বন্দর পৌঁছায়। বন্ধন-৭, রণদূত প্লাস, গাজী সালাউদ্দিন, জাহিদ-৭ এ রুটের মানুষের কাছে বেশ পছন্দের নৌযান।
এবার আসি ভোলা নৌ-পথের ডুবোচর ও নাব্যতা সংকট বিষয়ে। ভোলা নৌ-পথে বেশ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট রয়েছে, রয়েছে কিছু সরু চ্যানেল ও ডুবোচর এলাকা। এসব এলাকা দিয়ে শুকনো মৌসুমে নৌ-যান চলাচল বেশ কষ্টসাধ্য এবং দুর্বিসহ বটে। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে ভোলা টার্মিনাল হতে ভেদুরিয়া চ্যানেল, লালমোহনের সরু নদী, বোরহানউদ্দিন সরু চ্যানেল, নাজিরপুর ঘাটের প্রবেশ দ্বার, সাতবাড়িয়ার ঘোল, চোটকির ঘোল ইত্যাদি। এছাড়াও তেঁতুলিয়া নদীতে রয়েছে বেশ কিছু অদৃশ্য ডুবোচর আর এই ডুবোচরে আটকে দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে ভোলা, লালমোহন, চরফ্যাশন, নাজিরপুর ও ঘোষেরহাট রুটের যাত্রীরা। তজুমদ্দিনের বাদশামিয়ার চর, ইলিশার কালুর চর, দেউলিয়ার ঘাট, ভেরীর মাথায়ও রয়েছে এ রকম একই সমস্যা। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নেই বিকন বয়া বাতি। যার ফলে মাস্টারদের কিছুটা অনুমান করে চালাতে হচ্ছে নৌযান। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৭ নভেম্বর রাতে নাজিরপুর ঘাট সংলগ্ন এলাকায় এম.ভি কোকো-৪ নৌযানটি ডুবে যাওয়ার ফলে সেখানের আসে পাশে ব্যাপক পলি পরায় ব্যাহত হচ্ছে নৌ-যান চলাচলে। 

আমরা এ প্রতিবেদনের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি। কারণ, নদী বাঁচলেই তো বেঁচে থাকবে নৌপথ। দূর হবে সমস্যা। 
চাইলে আপনি ও ঘুড়ে আসতে পারেন সমগ্র ভোলার নৌ-রুট বা আপনার পছন্দের নৌ-রুট। উপমহাদেশের সর্বোচ্চ ওয়াচ টাওয়ার (চরফ্যাশন), শাহাবাজপুর গ্যাস ফিল্ড (বোরহানউদ্দিন), দেশের দ্বিত্বীয় সুন্দরবন খ্যাত চর কুকরিমুকরি (চরফ্যাশন), প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের  লীলাভূমি মনপুরার দুরন্ত হরিণপাড়া, জাতীয় মঙ্গলের কবি মোজাম্মেল হক, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী আজন্ম বিপ্লবী  কমিউনিষ্ট নেতা কমরেড নলিনী দাস এবং শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামালের এই জেলা শহর আপনার তৃপ্ততা বাড়িয়ে দিবে কয়েক গুণ….
নৌ-পথ যুগ  যুগ তার যৌবন ধরে রাখুক। ধরে রাখুক নদী তার নিজস্ব ধারা, সেই ধারার সাড়ার টানে বেঁচে থাক সমগ্র ভোলার নৌ-পথের ঐতিহ্য, ইতিহাস সভ্যতা ও পুরানো জৌলুস…!

ডিগ্রি প্রাইভেট কোর্সে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি


Degree Private Admission
অনলাইনে ডিগ্রি প্রাইভেট কোর্সে ভর্তি হতে
চলে আসুন লালমোহন পোস্ট ই- সেন্টার

সদর রোড, গার্লস স্কুলের সামনে

লালমোহন পোস্ট অফিসে-01717-585068, 01919-585068

★ ভর্তির সময়সীমা 31.5.17 থেকে 5.7.17
★ যে সালে পাশ করুক না কেন, এতে সবাই ভর্তি হতে পারে।
★ যে কোন একটি কলেজে আবেদন করতে হবে।
★ অনলাইনের আবেদন ফরমটি উক্ত কলেজে জমা দিতে হবে।
★ আবেদন ফরমের সাথে টাকা ও SSC & HSC এর মার্কশীট, প্রশংসাপ্রত্র, সার্টিফিকেট, ছবি জমা দিতে হবে।
★ টাকা আনুমানিক ১,০০০-১,৫০০ টাকা এর মত হবে।
★ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও টাকা কলেজে জমা দিলেই কাজ শেষ & তোমার ভর্তি নিশ্চিত। তোমাকে আর কিছুই করতে হবে না।
★ প্রাইভেটে ভর্তি হতে আগে আসলে আগে, এখানে রেজাল্ট বা স্কোর হিসাব করে না। ঝামেলা ছাড়াই অনলাইনে আবেদন তার পর কলেজে জমাদানের মাধ্যমে সরাসরি ভর্তি সম্পন্ন করা হয়।

 

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ

সরাসরি আমাদের ফেসবুক গ্রুপ পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন

মাষ্টার্স ভর্তি ফলাফল প্রকাশ


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স (প্রফেশনাল) ভর্তি কার্যক্রমের মেধা তালিকা ১৩ জুন ২০১৭ তারিখ প্রকাশ করা হবে।
মেধা তালিকায় স্থান প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ১৪/০৬/২০১৭ তারিখ থেকে ১০/০৭/২০১৭ তারিখের মধ্যে অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণ করে পূরণকৃত চূড়ান্ত ভর্তি ফরম প্রিন্ট করে রেজিস্ট্রেশন ফি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ ১৪/০৬/২০১৭ তারিখ থেকে ১১/০৭/২০১৭ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে করণীয়


১। প্রশ্নঃ ID Card হারিয়ে গিয়েছে। কিভাবে নতুন কার্ড পেতে পারি?
উত্তরঃ নিকটতম থানায় জিডি করে জিডির মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেল/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

২। প্রশ্নঃ হারানো আইডি কার্ড পেতে বা তথ্য সংশোধনের জন্য কি কোন ফি দিতে হয়?
উত্তরঃ এখনো হারানো কার্ড পেতে কোন প্রকার ফি দিতে হয় না। তবে ভবিষ্যতে হারানো আইডি কার্ড পেতে/সংশোধন করতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি ধার্য করা হবে।

৩। প্রশ্নঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে করা যায় কি?
উত্তরঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে সম্ভব নয়। আগে হারানো কার্ড তুলতে হবে, পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে।

৪। প্রশ্নঃ হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড কিভাবে সংশোধন করব?
উত্তরঃ প্রথমে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন করে তারপর সংশোধনের আবেদন করতে হবে।

৫। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / স্লিপ হারালে করণীয় কি?
উত্তরঃ স্লিপ হারালেও থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদন পত্র জমা দিতে হবে।

৬। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / ID Card হারিয়ে গেছে কিন্তু কোন Document নেই বা NID নম্বর/ ভোটার নম্বর/ স্লিপের নম্বর নেই, সে ক্ষেত্রে কি করণীয়?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস থেকে Voter Number সংগ্রহ করে NID Registration Wing/ উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।

৭। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদি পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব?
উত্তরঃজাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রাদি সহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করে বিবেচনা করা হবে।

৮। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয় পত্রের মান বর্তমানে তেমন ভালো না এটা কি ভবিষ্যতে উন্নত করার সম্ভাবনা আছে?
উত্তরঃ হ্যাঁ। আগামীতে স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদানের জন্য কাযর্ক্রম চলমান আছে যাতে অনেক উন্নত ও আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ থাকবে এবং মান অনেক উন্নত হবে।

১। প্রশ্নঃ আমি যথা সময়ে ভোটার হিসেবে Registration করতে পারিনি। এখন কি করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে যথাযথ কারণ উল্লেখপূর্বক আবেদন করতে পারেন।

২। প্রশ্নঃ আমি বিদেশে অবস্থানের কারণে Voter Registration করতে পারিনি, এখন কিভাবে করতে পারবো?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে বাংলাদেশ পাসপোর্ট-এর অনুলিপিসহ জন্ম সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, এসএসসি (প্রযোজ্যক্ষেত্রে) সনদ, ঠিকানার সমর্থনে ইউটিলিটি বিলের কপি বা বাড়ী ভাড়া বা হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদের কপিসহ আবেদন করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ফর্মসমূহ পূরণ করতে হবে।

জনস্বার্থে লালমোহন পোস্ট সেন্টার

৬ মাস মেয়াদি কম্পিউটার পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি


লালমোহন পোস্ট ই সেন্টারের সকল পরীক্ষার্থী ছাত্র ছাত্রীবৃন্দদের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, জানুয়ারী-জুন/২০১৭ইং কম্পিউটার অফিস এ্যাপ্লিকেশন কোর্সের পরীক্ষা আগামী ১৬ই জুন ২০১৭ইং তারিখ সকাল ৯ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হবে। সকল ছাত্র ছাত্রীদের পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশন কার্ড সংগ্রহ করার জন্য দ্রুত অফিসে এসে যোগাযোগ করার নির্দেশ দেয়া গেল।

নির্দেশক্রমে মোঃ নুরে আলম নুর পরিচালক/প্রশিক্ষক লালমোহন উপজেলা পোস্ট ই সেন্টার লালমোহন, ভোলা।

মোবাইলঃ 01717-585068, 01919-585068

এখানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

%d bloggers like this: