Category Archives: Fast page

অাপনার প্রিয় জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জেনে নিন!!!



১২৩৫ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গোপসাগরের মাঝে বিশাল একটি চরের উত্থান হয়। ১৩০০ খ্রিস্টাব্দে সেই চরে লোকজন বসতি শুরু করতে থাকে। ১৫০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুরা দ্বীপটি দখল করে ঘাঁটি স্থাপন করে। ঐ সময় সম্রাট আকবরের অন্যতম সেনাপতি শাহবাজ খান মগ বর্তমান দৌলতখানে একটি দূর্গ স্থাপন করেন। তাঁর নামানুসারে সুবেদারি আমলে দ্বীপটির নামকরণ করা হয় শাহবাজপুর। কালের বিবর্তনে পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন করে ভোলা রাখা হয়। ৩৪০৩.৪৮ বর্গ কি.মি. আয়তনের দ্বীপটি ১৯৮৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের একটি প্রশাসনিক জেলা হিসাবে পথচলা শুরু করে এবং সাম্প্রতিক সময়ে “কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ” উপাধি পায়।
বাংলাদেশের সবেচেয়ে বড় দ্বীপ এবং একমাত্র দ্বীপজেলা ভোলার উত্তরে ও পূর্বে মেঘনা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তর-পূর্ব কোণে ইলিশা, দক্ষিণ-পূর্ব কোণে শাহাবাজপুর এবং পশ্চিমে তেঁতুলিয়া নদী বহমান।
ভোলার নদী পথ অনেকটা এলাকা জুড়ে বিস্তৃর্ণ। ভোলা জেলার আভ্যন্তরীণ নৌ-পথগুলো ছাড়াও রাজধানী ঢাকার সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি নৌ-রুট। প্রত্যেকটি রুটের’ই রয়েছে নিজস্ব নৌযান এবং নিজ নিজ রুট স্বকীয়তা। যার ফলে স্থানীয় লোকজন নিজ নিজ এলাকা হতে রাজধানী ঢাকা অথবা নির্দিষ্ট গন্তব্যপথ পাড়ি দিতে পারছে খুব সহজেই।
ভোলা জেলার উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্ববহ নৌ-পথগুলো হলো,

ভোলা – ঢাকা : ভোলা লঞ্চঘাট থেকে যাত্রা শুরু করে কোন প্রকার বিরতি ছাড়া ১৯৫ কি.মি. নদীপথ সরাসরি পাড়ি দিয়ে ঢাকা নদী বন্দরে পৌঁছানোর মাধ্যমে এ রুটের নৌ-যানগুলো যাত্রার সমাপ্তি করে। দ্রুতগামী, মানসম্মত সেবা ও বিলাসবহুলতার চিহ্ন হিসেবে বিবেচনা করা হয় ভোলা – ঢাকা’র নৌ-যানগুলোকে। এ রুটের নৌ-যানগুলো হলো, এম.ভি ভোলা, সম্পদ, বালিয়া, দিঘলদী, কর্ণফুলী-৯, ১০ ও ১১ এবং গ্লোরি অব শ্রীনগর-৭। বলতে গেলে, ভোলার প্রায় সব লোকই যাতাযাতের মাধ্যম হিসেবে নৌ-পথকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। ফলে ভোলাবাসীর যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে নৌ-যানগুলো অনেকটাই আস্থার প্রতীক।

বলা বাহুল্য, ভোলা কলঘাট এলাকায় একসময় স্টিমারঘাট ছিল। নদী ছোট হওয়ার মিছিলে হারাতে হয়েছে সেই ঐতিহ্য। যা এখন কেবল ধুলোপরা ইতিহাসের সাক্ষী।
দৌলতখাঁন – ঢাকা : দৌলতখাঁন – ঢাকা রুটের নৌ-যাগুলো যাত্রা শেষ করে ১৭৯ কি.মি. নৌ-পথ পাড়ি দেবার মাধ্যমে। পথের মাঝে তুলাতলি, কাঠিরমাথা, দাশেরহাট, বিশ্বরোড, বঙ্গেরচর, মল্লিকপুর, কালিগঞ্জ ঘাটগুলো ধরে ঢাকা যায়। এ রুটে যে সব পণ্যের চালান ঢাকায় পাঠানো হয় তার মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ অন্যতম। তবে ইলিশ মাছের চালান সর্বাধিক। পণ্যের চালান ও যাত্রীর কলরবে বেশ জাকজমকপূর্ণ নৌ-রুটে পরিণত হয়েছে দৌলতখাঁ – ঢাকা রুট। এ রুটের নৌ-যানগুলো হলো কর্ণফুলি -১, এম.ভি ফ্লোটিলা, টিপু এবং ফারহান।
বেতুয়া (চরফ্যাশন) – ঢাকা : এই রুটটি অত্যন্ত গুরুত্ববহ ও জনপ্রিয় রুট। স্থানীয় লোকজনের পাশাপাশি অন্যদের কাছেও দিনদিন রুটটি বেশ পছন্দের হয়ে উঠছে। বিশেষ করে পর্যটকদের কাছে। বেতুয়া (চরফ্যাশন) হতে এ নৌরুটের নৌযানগুলো পর্যায়ক্রমে হাকিম উদ্দিন, সরাশগঞ্জ, মির্জাকালু, তজুমদ্দিন, শশীগঞ্জ, সি-ট্রাক ঘাট, মঙ্গল সিকদার ঘাট হয়ে ২৪৬কি.মি. সুদীর্ঘ পথ পাড়ি দেবার মাধ্যমে যাত্রা শেষ করে। এ রুটে চলাচলকারী লঞ্চ এম.ভি ফারহান-৫ ও ফারহান-৬ বৃহদাকার এবং আধুনিক মানের। ব্যবসায়িক পণ্য এবং ইলিশ মাছের পাশাপাশি মৌসুমভেদে তরমুজ, শশা, সুপারি, পান, শুঁটকি, নারিকেল রাজধানীতে পাঠানো হয় এ রুটের নৌযানগুলোতে।
হাতিয়া – মনপুরা – ঢাকা : এই নৌ পথটি জনবহুল ও জনপ্রিয় রুটের মধ্যে অন্যতম। এর প্রধান কারণ, ভোলা জেলার মূল ভূ-খন্ড হতে বিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দ্বীপ মনপুরার মানুষের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা নৌযান। হাতিয়া থেকে যাত্রা শুরু করে মনপুরা, কালিগঞ্জ, বিশ্বরোড, দৌলতখাঁ, হাকিমউদ্দিন, সরাশগঞ্জ, মির্জাকালু, তজুমদ্দিন ঘাট দেয়া শেষে রাজধানি ঢাকা যায় ২৩৩ কি.মি. নদী পথ পাড়ি দিয়ে। এ রুটের চলাচল করে আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন নৌ-যান ফারহান-৩ এবং ফারহান-৪।  অন্যান্য রুটের মত এ রুট দিয়েও সব ধরণের পণ্য, মালামাল আনা নেয়া করা হয়। সাথে ইলিশ ও অন্যান্য প্রজাতির মাছতো আছেই।

বলে রাখা ভালো, হাতিয়া মূলত নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত বেশ কয়েকটি উপকূলীয় দ্বীপ নিয়ে গঠিত নদীবেষ্টিত একটি উপজেলা। যার মধ্যে নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের দ্বীপ হিসেবে পরিচিত নিঝুমদ্বীপ অন্যতম। কাজেই নদীবেষ্টিত জনপদ হওয়ায় এখানকার মানুষের অন্যতম পছন্দের নৌ-রুট এটি।
হাজীরহাট (মনপুরা) – চাঁদপুর – ঢাকা : খুব বেশিদিন হয়নি এ রুটে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। এ জনপদের মানুষ আগে মনপুরা দিয়ে রাজধানীতে যাতায়ত করতো। এতে তাদের সময় নষ্টসহ অনেক ভোগান্তি পোহাতে হতো। তাইতো ব্যবসায়ি এবং যাত্রী সাধারণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে নতুন এ রুটটি চালু করা হয়েছে। অল্পদিনে ঢাকা – হাজীরহাট রুটটি বেশ জনপ্রিয় রুটের একটি হয়ে উঠেছে। হাজীরহাট থেকে যাত্রা শুরু করে রামনেওয়াজ, তজুমদ্দিন, মির্জাকালু, সরাশগঞ্জ, হাকিমদ্দিন, দৌলতখাঁ, লুদুয়া, মতিরহাট, বিশ্বরোড, কালিগঞ্জ ঘাট ধরে ঢাকা সদরঘাটে পৌঁছে দীর্ঘ যাত্রার ইতি টানে। এ রুটের লঞ্চ এম.ভি টিপু-৫ এবং পানামা। এখান দিয়েও একই ধরণের পণ্য আনা-নেয়া করা হয়।
ঘোষেরহাট – নাজিরপুর – ঢাকা : এ রুটটি বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয় বলা যায়। ২০৭ কি.মি. সু প্রসারিত এই নৌ-পথটি পাড়ি দিতে নৌ-যানগুলো ফতুল্লা, ধুলিয়া, দেউলা, দেরীরচর, কচুখালি, গজারিয়া,  পাংগাশিয়া লঞ্চ ঘাটের পল্টুনগুলো ধরে ছুটে চলে ঢাকা নদী বন্দরের দিকে। এখান দিয়েও সব ধরণের পণ্য, মালামাল আনা-নেওয়া করা হয়, সাথে শুঁটকিও। কর্ণফুলি -৪, সাব্বির, শাহরুখ, প্রিন্স অব রাসেল এ রুটের অন্যতম জনপ্রিয় নৌযান।
লালমোহন – ঢাকা : লালমোহন – ঢাকা নৌপথের ব্যাপ্তি ২০১ কি.মি.। এতটা দীর্ঘ পথের মধ্যে নৌযানগুলো নাজিরপুর, দেবীরচর, ভেরীর মাথা, ফরাসগঞ্জ ঘাটে নির্দিষ্ট সময় যাত্রা বিরতি করে থাকে। যাত্রী, ব্যাবসায়িক পণ্যসহ অন্যান্য পণ্যের চালান করা হয় উক্ত নৌপথের মাধ্যমে। কাজেই বেশ জমজমাট রুট এটি। এই রুটের নৌযান গ্লোরি অব শ্রীনগর-৩ ও কর্ণফুলী-৩ দু’টোই বিলাসবহুল।
লেতরা – ঘোষেরহাট – ঢাকা : ২০৭ কি.মি. দীর্ঘ এ নৌ রুটটি বর্তমানে পরিচিত রুটের একটি। এ রুটের নৌযানগুলো ধুলিয়া, দেবীর চর, দেউলা, নাজিরপুর, গজারিয়া,  চর কলমি, বোয়ালখালি, বকসি ভায়া ঘাট ধরে রাজধানী ঢাকা গিয়ে যাত্রার সমাপ্তি করে। এখান থেকেও শুঁটকির চালান যায়। পাশাপাশি অন্যান্য পণ্যতো আছেই। চলাচলকারী নৌ-যান জামাল-১ এবং জামাল-৩।
বোরহানউদ্দিন – গঙ্গাপুর – ঢাকা : এ রুটের চলাচলকারী নৌযানগুলো গঙ্গাপুর, ধুলিয়া, মাঝিরহাটের পথ ধরে ১৯৮ কি.মি. দীর্ঘ নৌ-পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকা নদী বন্দর পৌঁছায়। বন্ধন-৭, রণদূত প্লাস, গাজী সালাউদ্দিন, জাহিদ-৭ এ রুটের মানুষের কাছে বেশ পছন্দের নৌযান।
এবার আসি ভোলা নৌ-পথের ডুবোচর ও নাব্যতা সংকট বিষয়ে। ভোলা নৌ-পথে বেশ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট রয়েছে, রয়েছে কিছু সরু চ্যানেল ও ডুবোচর এলাকা। এসব এলাকা দিয়ে শুকনো মৌসুমে নৌ-যান চলাচল বেশ কষ্টসাধ্য এবং দুর্বিসহ বটে। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে ভোলা টার্মিনাল হতে ভেদুরিয়া চ্যানেল, লালমোহনের সরু নদী, বোরহানউদ্দিন সরু চ্যানেল, নাজিরপুর ঘাটের প্রবেশ দ্বার, সাতবাড়িয়ার ঘোল, চোটকির ঘোল ইত্যাদি। এছাড়াও তেঁতুলিয়া নদীতে রয়েছে বেশ কিছু অদৃশ্য ডুবোচর আর এই ডুবোচরে আটকে দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে ভোলা, লালমোহন, চরফ্যাশন, নাজিরপুর ও ঘোষেরহাট রুটের যাত্রীরা। তজুমদ্দিনের বাদশামিয়ার চর, ইলিশার কালুর চর, দেউলিয়ার ঘাট, ভেরীর মাথায়ও রয়েছে এ রকম একই সমস্যা। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নেই বিকন বয়া বাতি। যার ফলে মাস্টারদের কিছুটা অনুমান করে চালাতে হচ্ছে নৌযান। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৭ নভেম্বর রাতে নাজিরপুর ঘাট সংলগ্ন এলাকায় এম.ভি কোকো-৪ নৌযানটি ডুবে যাওয়ার ফলে সেখানের আসে পাশে ব্যাপক পলি পরায় ব্যাহত হচ্ছে নৌ-যান চলাচলে। 

আমরা এ প্রতিবেদনের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি। কারণ, নদী বাঁচলেই তো বেঁচে থাকবে নৌপথ। দূর হবে সমস্যা। 
চাইলে আপনি ও ঘুড়ে আসতে পারেন সমগ্র ভোলার নৌ-রুট বা আপনার পছন্দের নৌ-রুট। উপমহাদেশের সর্বোচ্চ ওয়াচ টাওয়ার (চরফ্যাশন), শাহাবাজপুর গ্যাস ফিল্ড (বোরহানউদ্দিন), দেশের দ্বিত্বীয় সুন্দরবন খ্যাত চর কুকরিমুকরি (চরফ্যাশন), প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের  লীলাভূমি মনপুরার দুরন্ত হরিণপাড়া, জাতীয় মঙ্গলের কবি মোজাম্মেল হক, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী আজন্ম বিপ্লবী  কমিউনিষ্ট নেতা কমরেড নলিনী দাস এবং শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামালের এই জেলা শহর আপনার তৃপ্ততা বাড়িয়ে দিবে কয়েক গুণ….
নৌ-পথ যুগ  যুগ তার যৌবন ধরে রাখুক। ধরে রাখুক নদী তার নিজস্ব ধারা, সেই ধারার সাড়ার টানে বেঁচে থাক সমগ্র ভোলার নৌ-পথের ঐতিহ্য, ইতিহাস সভ্যতা ও পুরানো জৌলুস…!

মাষ্টার্স ভর্তি ফলাফল প্রকাশ


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স (প্রফেশনাল) ভর্তি কার্যক্রমের মেধা তালিকা ১৩ জুন ২০১৭ তারিখ প্রকাশ করা হবে।
মেধা তালিকায় স্থান প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ১৪/০৬/২০১৭ তারিখ থেকে ১০/০৭/২০১৭ তারিখের মধ্যে অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণ করে পূরণকৃত চূড়ান্ত ভর্তি ফরম প্রিন্ট করে রেজিস্ট্রেশন ফি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ ১৪/০৬/২০১৭ তারিখ থেকে ১১/০৭/২০১৭ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে করণীয়


১। প্রশ্নঃ ID Card হারিয়ে গিয়েছে। কিভাবে নতুন কার্ড পেতে পারি?
উত্তরঃ নিকটতম থানায় জিডি করে জিডির মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেল/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

২। প্রশ্নঃ হারানো আইডি কার্ড পেতে বা তথ্য সংশোধনের জন্য কি কোন ফি দিতে হয়?
উত্তরঃ এখনো হারানো কার্ড পেতে কোন প্রকার ফি দিতে হয় না। তবে ভবিষ্যতে হারানো আইডি কার্ড পেতে/সংশোধন করতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি ধার্য করা হবে।

৩। প্রশ্নঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে করা যায় কি?
উত্তরঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে সম্ভব নয়। আগে হারানো কার্ড তুলতে হবে, পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে।

৪। প্রশ্নঃ হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড কিভাবে সংশোধন করব?
উত্তরঃ প্রথমে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন করে তারপর সংশোধনের আবেদন করতে হবে।

৫। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / স্লিপ হারালে করণীয় কি?
উত্তরঃ স্লিপ হারালেও থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদন পত্র জমা দিতে হবে।

৬। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / ID Card হারিয়ে গেছে কিন্তু কোন Document নেই বা NID নম্বর/ ভোটার নম্বর/ স্লিপের নম্বর নেই, সে ক্ষেত্রে কি করণীয়?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস থেকে Voter Number সংগ্রহ করে NID Registration Wing/ উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।

৭। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদি পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব?
উত্তরঃজাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রাদি সহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করে বিবেচনা করা হবে।

৮। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয় পত্রের মান বর্তমানে তেমন ভালো না এটা কি ভবিষ্যতে উন্নত করার সম্ভাবনা আছে?
উত্তরঃ হ্যাঁ। আগামীতে স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদানের জন্য কাযর্ক্রম চলমান আছে যাতে অনেক উন্নত ও আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ থাকবে এবং মান অনেক উন্নত হবে।

১। প্রশ্নঃ আমি যথা সময়ে ভোটার হিসেবে Registration করতে পারিনি। এখন কি করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে যথাযথ কারণ উল্লেখপূর্বক আবেদন করতে পারেন।

২। প্রশ্নঃ আমি বিদেশে অবস্থানের কারণে Voter Registration করতে পারিনি, এখন কিভাবে করতে পারবো?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে বাংলাদেশ পাসপোর্ট-এর অনুলিপিসহ জন্ম সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, এসএসসি (প্রযোজ্যক্ষেত্রে) সনদ, ঠিকানার সমর্থনে ইউটিলিটি বিলের কপি বা বাড়ী ভাড়া বা হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদের কপিসহ আবেদন করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ফর্মসমূহ পূরণ করতে হবে।

জনস্বার্থে লালমোহন পোস্ট সেন্টার


0001

আজ লালমোহন উপজেলা পোস্ট ই সেন্টার, বালুরচর পোস্ট ই সেন্টার এবং ফুলবাগিচা ব্রাঞ্চ পোস্ট ই সেন্টারের ৬ মাস মেয়াদি কম্পিউটার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


পোস্ট ই সেন্টার

আজ লালমোহন উপজেলা পোস্ট ই সেন্টার, বালুরচর পোস্ট ই সেন্টার এবং ফুলবাগিচা ব্রাঞ্চ পোস্ট ই সেন্টারের ৬ মাস মেয়াদি কম্পিউটার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জুন ২০১৬ ব্যাচ পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শেষ ডিসেম্বর ২০১৬ ব্যাচে ভর্তি চলতেছে। আগ্রহীরা আজই যোগাযোগ করুন লালমোহন উপজেলা পোস্ট অফিস, মোবাইল-01919-585068, 01714-816114, 01617-585068G

নিচের পরীক্ষার্থীদের একাংশ

001

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন

View original post

বাংলাদেশ পোস্ট অফিস মোবাইল মানি অর্ডার


বাংলাদেশ পোস্ট অফিস মোবাইল মানি অর্ডার

Bangladesh post office mobile money order

159mobile money order with bangladesh post office

banglalink partners with the bangladesh post office (bpo) to launch the first ever mobile money order (mmo) service through the banglalink mobile cash points along with post office branches and post e-centers spread all across the country.

this service enables to send and receive money all across the country almost instantly which used to require 7 to 10 days. now along with post office branches and post e-centers this service is now available in widely available banglalink mobile cash points.

service details

electronic money order issue:

step 1: money order sender comes to the designated bpo office/ post e-center/ banglalink mobile cash point and hands over the cash and filled in money order issue form to the dedicated agent

step 2: agent issues the money order

step 3: sender and beneficiary immediately receives the confirmation sms with unique transaction pin (14 digit)

electronic money order disbursement:

step 1: sender informs the transaction details including money oder amount to beneficiary through phone, sms or any other possible communication means

step 2: beneficiary goes to the nearest post office and submit the money order encashment form with the transaction pin and amount

step 3: agent verifies the pin and other transaction related information and hands over the cash to the beneficiary and mark the transaction as enchased

step 4: on transaction completion, automatic system generated “emo paid” sms is sent to the sender mobile number

click here for the list of electronic money order enabled bpo branches

frequently asked questions

is this a banglalink service?
ans: no this is a bangladesh post office service and banglalink is the exclusive network service provider for bpo and this service can be availed through specified banglalink agents along with post offices and post e-centers.

what is the banglalink’s role in the service?
ans: banglalink is the exclusive network provider for bpo in this project which includes nationwide connectivity and banglalink agent network

who can avail the service?
ans: any person intends to send money (money transfer inside the country). any mobile operator customer can avail this service since it is a fully otc (over the counter) based service.

what are the specific advantages of the service compared to traditional money order?
ans: – instant money transfer across the country.
– sender and receiver (beneficiary) both will receive sms against issuance of mobile money order.
– money order sending time reduced from current 7 to 10 days to instant.
– sender will receive confirmation sms after beneficiary takes out cash.
– social responsibility by sending money through the legal channel.
– security of money ensured by the authorized govt agency (post office)
– contribution to national economy by sending money through the authorized govt. agency (post office)

what the money order sender (issuer) need to do for the service
ans: money order sender (issuer) will go to the post office/ post e-center or any designated banglaink mobile cash point and fill out the mobile money order issue form and provide his/her mobile number (any operator) and required amount (including fees) for the service. the agent will perform the transaction in his/her mobile and a tpin (transaction pin) will be sent to the sender and beneficiary (the person who will be receiving the money) in sms.

issuer will inform the beneficiary with the sending amount and beneficiary can go to any of the post office/ e-center/ designated banglalink mobile cash point to disburse (receive) the money order.

what will the sender (issuer) do if sms is not received after issue?
ans: sender (issuer) can call 01911304120 (any operator) and the sms will be re-generated.

what the money receiver (beneficiary) need to do for the service
ans: receiver (beneficiary) will go to the post office/ post e-center or any designated banglaink mobile cash point and fill out the mobile money order payment (disburse) form and fill in required information. the agent will perform the transaction in his/her mobile.

what are the charges of the service?
ans: issuer will pay the service charge of 1.85% (on the transaction amount) or bdt 15/- (whichever higher)

mobile money order amount (bdt) service fee (bdt)
1000 18.5 (1.85% of 1000)
500 15 (minimum service fee)

there is no fee for disbursement of money order

what are the transaction limits for mobile money order?
ans: minimum: bdt 100/-
– maximum: bdt 50,000/-

with this service how much time is required to send mobile money order?
ans: it is instant

is it a must to have a banglalink mobile number to issue electronic money order?
ans: no, since it is an otc (over the counter) service of banglalink post office and any customer (of any operator) can avail this service.

is it a must to have sender and beneficiary mobile number to issue electronic money order?
ans: yes, mobile money order cannot be issued without sender and beneficiary mobile number.

is the service available at all the post office branches?
ans: the service is available in designated post offices, post e-centers and banglalink mobile cash points.

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন

আজ লালমোহন উপজেলা পোস্ট ই সেন্টার, বালুরচর পোস্ট ই সেন্টার এবং ফুলবাগিচা ব্রাঞ্চ পোস্ট ই সেন্টারের ৬ মাস মেয়াদি কম্পিউটার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ লালমোহন উপজেলা পোস্ট ই সেন্টার, বালুরচর পোস্ট ই সেন্টার এবং ফুলবাগিচা ব্রাঞ্চ পোস্ট ই সেন্টারের ৬ মাস মেয়াদি কম্পিউটার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জুন ২০১৬ ব্যাচ পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শেষ ডিসেম্বর ২০১৬ ব্যাচে ভর্তি চলতেছে। আগ্রহীরা আজই যোগাযোগ করুন লালমোহন উপজেলা পোস্ট অফিস, মোবাইল-01919-585068, 01714-816114, 01617-585068G

নিচের পরীক্ষার্থীদের একাংশ

001

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন

এখন মোটরসাইকেল নিবন্ধন করা যাবে রাস্তায়


মোটরসাইকেল নিবন্ধন নিয়ে যারা দুঃশ্চিন্তায় আছেন, তাদের জন্য সুখবর। নিবন্ধনের জন্য সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নিবন্ধন কার্যালয়ে যেতে হবে না। দালালের চক্করেও পড়তে হবে না। মোটরসাইকেল নিবন্ধন সহজ করতে বিআরটিএ আসছে গ্রাহকের কাছে। চালু হচ্ছে স্পট নিবন্ধন। আগামী ২৩ জুন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে করা যাবে নিবন্ধন।
শুক্রবার বিআরটিএর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্পট নিবন্ধন করতে চাইলে মোটরসাইকেল কেনার সকল কাগজপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি নিয়ে আসতে হবে। মোটরসাইকেলও আনতে হবে। ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল না হলে প্রতিষ্ঠানের প্যাডে মালিকানার সদন আনতে হবে। টাকা জমা দেওয়া যাবে, নিকটস্থ ব্যাংকের শাখায় কিংবা বুথে।
১২৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেল নিবন্ধনে ১২ হাজার ৭৩ টাকা লাগবে। ১০০ সিসি পর্যন্ত লাগবে ৯ হাজার ৭৩ টাকা।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন

লালমোহন উপজেলা পোস্ট অফিসে কম্পিউটার প্রশিক্ষণে ভর্তি চলিতেছে।


হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেনঃ “পুরুষের প্যান্ট বা কাপড় পায়ের টাখনুর উপর পড়তে হবে। অন্যথায় তারা জাহান্নামে যাবে।” – (সহীহ বুখারী ৫৩৭১)


হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেনঃ “পুরুষের প্যান্ট বা কাপড় পায়ের টাখনুর উপর পড়তে হবে। অন্যথায় তারা জাহান্নামে যাবে।”
– (সহীহ বুখারী ৫৩৭১)

বিজ্ঞান বলে, পুরুষের টাখনুর ভিতর প্রচুর পরিমানে হরমোন থাকে এবং তার আলো বাতাসের প্রয়োজন হয়। তাই কেউ যদি তা খোলা না রেখে ঢেকে রাখে, তাহলে তার যৌনশক্তি কমে যাবে এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবে।
মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, “ভ্রু প্লাগকারীর উপর আল্লাহর লানত” – (সহীহ বুখারী ৫৫১৫)
বিজ্ঞান বলে, ভ্রু হলো চোখের সুরক্ষার জন্য। ভ্রুতে এমন কিছু লোম থাকে যদি তা কাটা পড়ে যায় তাহলে ভ্রুপ্লাগকারী পাগল হতে পারে, অথবা মৃত্যুবরণও করতে পারে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়া হারাম”- (সহীহ বুখারী ৬১২৪)
বিজ্ঞান বলে, ধুমপানের কারনে ফুস্ফুসের ক্যান্সার, ব্রংকাইটিস ও হৃদরোগ হয়ে মানুষ মারা যায়। ধুম্পান করলে ঠোট, দাতের মাড়ি, আঙ্গুল কালো হয়ে যায়। যৌনশক্তি ও ক্ষুধা কমে যায় এমনকি স্মৃতিশক্তি ও কমে যায়।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হারাম।”- (মুসলিম ১৬৫৫)
বিজ্ঞান বলে, স্বর্ণ এমন একটি পদার্থ যা স্কিনের সাথে মিশে ব্লাডের মাধ্যমে ব্রেনে চলে যায়। আর তার পরিমান যদি ২.৩ হয় তাহলে মানুষ তার আগের স্মৃতি সব হারিয়ে ফেলবে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ঘুমানোর সময় আলো নিভিয়ে এবং ডান কাত হয়ে ঘুমাতে। – (সহীহ বুখারী ৩২৮০)
বিজ্ঞান বলে, ডান কাত হয়ে ঘুমালে হার্ট ভালো করে পাম্প করে। আর লাইট না নিভিয়ে ঘুমালে ব্রেনের এনাটমি রস শরীরে প্রবেশ করতে পারে না, যার ফলে ক্যান্সার হওয়ার খুব সম্ভবনা থাকে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “তোমরা গোফ ছেটে ফেল এবং দাড়ি রাখ।”- (সহীহ মুসলিম ৪৯৩ ও ৪৯৪)
বিজ্ঞান বলে, দাড়ি না রাখলে স্ক্রিন ক্যান্সার, ফুস্ফুসের ইনফেকশন এবং ৪০ এর আগে যৌবন হারানোর সম্ভবনা থাকে।
আল্লাহ সুবনাহু তায়ালা বলেন, “আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়োনা। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং ধ্বংসের পথ।”- (বনি ইসরাঈল ৩২) নেশাগ্রস্থ শয়তানের কাজ (মাইদাহ ৯০)
বিজ্ঞান বলে, পর্নোগ্রাফি ও অশ্লীল সম্পর্ক সহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য নেশায় যদি কেউ জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তার ব্রেনের ফরেন্টাল এরিয়া পরিচালনা করার ইনটেলেকচুয়াল সেলগুলো থরথর করে কাপতে থাকে এবং অস্থির হয়ে যায়। যার ফলে সে নেশাগ্রস্থ হয়ে মাতাল ও অসুস্থের মত জীবন পরিচালনা করে। এবং তা তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।
আল্লাহ বলেন, “আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ এবং নিশ্চুপ থাক যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়।”- (আরাফ ২০৪)
বিজ্ঞান বলে, কুরআনের সাউন্ড ওয়েব শরীরের সেলগুলোকে সক্রিয় করে, অসুস্থতা আরোগ্য করে বিশেষ করে হার্ট এবং ক্যান্সার রোগীদের। আর ব্রেনকে এমনভাবে চার্জ করে, ঠিক যেমন ভাবে ফিউজ হওয়া ব্যাটারীকে সচল করা হয়।
শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। সবাইকে জানিয়ে দিন ইসলামের বিজয়ের কথা !!

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন

এখানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

%d bloggers like this: