Category Archives: Fast page

জাতীয়করণ: শিক্ষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কাল ১৯ অক্টোবর।


জাতীয়করণের একদফা দাবীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শিক্ষক-কর্মচারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কাল ১৯ অক্টোবর। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা  ইকবাল সোবহান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি সংসদ সদস্য শিরিন আখতার।

আজ বুধবার (১৮ অক্টোবর) দৈনিকশিক্ষা্র সঙ্গে আলাপকালে ফোরামের মহাসচিব মো: আ: খালেক বলেন,  জাতীয়করণের একদফা দাবীতে কাল ১৯ অক্টোবর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ হচ্ছে। মৌখিক অনুমোদন পাওয়া গেছে। লিখিত অনুমোদন হাতে পাবো আজ বুধবার। আশা করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

মাইক ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছেন কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব বলেন, ‘ডিএমপি থেকে টেলিফোন করেছিলো। সীমিত আকারে মাইক ব্যবহারের অনুমোদন পাওয়া যাবে আশা করছি।’

ফেসবুকের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সংগঠন বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম জাতীয়করণের একদফা দাবীতে সমাবেশের ডাক দিয়েছে। এতে সারাদেশ থেকে শিক্ষক-কর্মচারীদের যোগ দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে ফেসবুকের মাধ্যমে। মাদ্রাসামূহ খোলা থাকায় ১৯ অক্টোবর মাদ্রাসা শিক্ষকদের উপস্থিতি কম হওয়ার আশংকা প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

তবে, স্কুল ও কলেজের হাজার হাজার শিক্ষ-কর্মচারী যোগ দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংগঠনের মহাসচিব মো: আ: খালেক।

সূত্র: দৈনিক শিক্ষা

Advertisements

সচেতন থাকুন


#সচেতন_থাকুনFB_IMG_1506222753869

আপনারা রাতে যারা গাড়ী চালান এবং হঠাৎ যদি দেখেন আপনার সামনের কাঁচের উপর কেউ ডিম ছুড়ে মেরেছে, দয়া করে গাড়ী থামিয়ে দেখতে যাবেন না কিংবা ওয়াইপার দিয়ে পরিস্কার করতে যাবেন না। পানি স্প্রে করে ওয়াইপার দিয়ে একদমই পরিস্কার করতে যাবেন না।

ডিম মিশ্রিত পানি দিয়ে পরিস্কার করতে গেলে অনেকটা দুধের মত ঘোলাটে হয়ে কাচের উপর আটকে যায়, এতে সামনে কিছু দেখার সম্ভাবনা ৯২.৫% শতাংশ নস্ট হয়ে যায়, এতে সামনে রাস্তার পাশে আপনি গাড়ী থামাতে বাধ্য হবেন।

ফলাফল হলো যারা ছিনতাই করতে ডিম ছুড়ে মেরেছিলো, তাদের দলের লোক সামনে ওঁত পেতে বসে আছে, আপনার জীবননাশের হুমকি রয়েছে। এই টেকনিক কিছু গ্যাং শুরু করেছে। আপনার বন্ধু, আত্মীয়স্বজন (এমনকি শত্রু) এবং বিশেষত আপনার ড্রাইভারকে জানিয়ে রাখুন যেনো এই ফাঁদে পা না দেয়।

 

অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তি আবেদন ৫ লাখ ৩১ হাজার


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজসমূহে ৩১টি বিষয়ে ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ সম্মান শ্রেণিতে ৩ লাখ ৯১ হাজার ৫৫টি আসনের বিপরীতে এ পর্যন্ত ৫ লক্ষ ৩১ হাজার প্রার্থী আবেদন করেছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আজ বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) আবেদন করার শেষ দিন।

গত ২৪ আগস্ট থেকে অনলাইনে ভর্তির আবেদন শুরু হয়। ১ম বর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ক্লাস আগামী ১৫ই অক্টোবর থেকে শুরু হবে।

৫ দফা দাবীতে ই পোস্ট ইসেন্টারের কর্মচারীদের মানববন্ধন


গত মঙ্গলবার সকাল-১০.০০ থেকে ১২.০০ ঘটিকা পর্যন্ত পোস্ট ই-সেন্টার ফর রুরাল কমিউনিটি” প্রকল্পে পুনঃ বহালের জন্য ৫ দফা দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন পালন করেছে চাকুরীচ্যুৎ কর্মচারীবৃন্দ। এসময় সারাদেশ থেকে ৩ শতাধিক চাকুরীচ্যুৎ কর্মচারীরা এই মাববন্ধনে যোগদান করেন।

মানববন্ধনে পোষ্ট ই- সেন্টার কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি- মোঃ ইমদাদুল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তার সুযোগ্য উত্তরসুরী উন্নয়নের রূপকার এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কারিগর বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত “পোস্ট ই-সেন্টার ফর রুরাল কমিউনিটি’’ শীর্ষক প্রকল্প, যার উদ্দেশ্য ছিল গ্রামীণ প্রত্যন্ত এলাকায় ডিজিটাল সেবা পৌছে দেওয়া ।এই প্রকল্পটি ২৪/০১/২০১২ইং তারিখে একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হলেও প্রকল্পের মূল কার্যক্রম শুরু হয় ০১/০১/২০১৪ইং তারিখে। ডাক বিভাগের এই প্রকল্পে ৮৫০০ টি পোষ্ট অফিসে ই-সেন্টার স্থাপনের কর্মসূচীতে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য সিস্টেম সাপোর্ট পার্সোনাল /ট্রেইনার ৭০ জন, হার্ডওয়্যার টেকনিশিয়ান ৫৫০ জন, ড্রাইভার ১১ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ৫০০ জন, সর্বমোট= ১১৩১ জন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন সময়ে কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয় ৩৯৯ জন। সর্বশেষ ৩০ শে জুন ২০১৭ইং তারিখ পর্যন্ত এই প্রকল্পে ৩৮৮ জন কর্মচারী কর্মরত ছিলেন। এই প্রকল্পে নিয়োজিত সিস্টেম সাপোর্ট পার্সোনাল/ট্রেইনার এবং হার্ডওয়্যার টেকনিশিয়ানগন রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে উক্ত কর্মসূচীকে বাস্তবায়নের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে বাংলাদেশর ডাক বিভাগের পুরনো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনে এবং নতুন ই-সেবা তৈরি ও বাস্তবায়নে উদ্দ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, পোষ্ট-ই সেন্টারগুলোকে টেকসই করনের লক্ষ্যে কারিগরি সহায়তা প্রদান সহ সরকার কর্তৃক গৃহীত ডিজিটাল সেবা বাস্তবায়নে গ্রামীণ জনপদে আশার সঞ্চার করেছিলো । যা অচিরেই নষ্ট হতে যাচ্ছে।

এই প্রকল্পের উদ্দ্যোক্তা হিসেবে ৮৫০০ জন স্বাবলম্বীর মাধ্যমে প্রতিমাসে পোস্ট ই-সেন্টার হতে প্রাপ্ত রাজস্ব আয় আনুমানিক ২ (দুই) কোটি টাকার বেশী, কিন্তুু বর্তমানে প্রকল্পে নিয়োগকৃত কর্মচারী না থাকায় রাজস্ব আদায় অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে এবং উদ্দ্যোক্তগন টেকনিক্যাল সাপোর্ট না পাওয়ার কারনে উদ্দ্যোক্তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিয়তায় অনেক পোষ্ট ই- সেন্টার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ও অনেক উদ্যোমী ও কর্মঠ অভিজ্ঞ ব্যক্তি কর্মহীন হয়ে পড়ছে বলেও জানান তিনি।তারা তাদের ৫ দফা দাবিতে উল্লেখ করেন যে,

১. ৩৮৮ জন কর্মচারীকে চাকুরীতে পুনঃবহাল করতে হবে,

২. কর্মচারীদের বকেয়া ভ্রমন বিল পরিশোধ করতে হবে,

৩. প্রকল্পে এখনও ৭২ কোটি টাকা জমা আছে, যা দিয়ে প্রকল্প চালু রাখতে হবে এবং পুনরায় প্রকল্পে বরাদ্দ প্রদান করতে হবে,

৪. হঠাৎ করে চাকুরীচ্যুৎ হওয়ার কারনে আত্মহনন করা যশোর জেলার মণিরামপুর উপজেলার হার্ডওয়্যার টেকনিশিয়ার ‘‘সঞ্জিত কুমার দাসের” পরিবারকে ক্ষতিপূরন প্রদান করতে হবে,

৫. পোস্ট ই- সেন্টার প্রকল্পে নিয়োগকৃতদের জামানতের টাকা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে বলে দাবী জানান কর্মচারীরা। লালমোহন চরফ্যাশন উপজেলার মোঃ জাহিদ হোসেন দক্ষতার সহিত দায়িত্ব পালন করিয়াছেন, বর্তমানে তিনিও মানবেতর জীবন যাবপন করছেন। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্য্যালয়ে স্বারকলিপি প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ সম্পর্কীত সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান


↘বিভাগ সম্পর্কিতঃ
১. মোট বিভাগ ——৮ টি
২.সর্বশেষ ময়মনসিংহ- ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
৩. আয়তনে বৃহত্ বিভাগ—— -চট্রগ্রাম
৪. আয়তনে ছোট বিভাগ—–ময়মনসিংহ
৫. সবচেয়ে বেশী জেলা অবস্থিত -ঢাকা মোট ১৩ টি।
৬. সবচেয়ে বেশী উপজেলা অবস্থিত -চট্টগ্রাম বিভাগে মোট ১০২ টি।
↘ জেলা সম্পর্কিত:-
১. মোট জেলা ———৬৪ টি।
২. সীমান্তবর্তী জেলা—–৩২ টি
(ভারতের সাথে ৩০ টি আর মিয়ানমারের সাথে ৩ টি, রাঙ্গামাটি উভয় দেশের সীমান্তবর্তী জেলা)
৩. আয়তনে বৃহত জেলা——রাঙামাটি।
৪. আয়তনে ছোট জেলা—-নারায়নগন্জ।
৫. জনসংখ্যায় বৃহত জেলা——–ঢাকা।
৬. জনসংখ্যায় ছোট জেলা——বান্দরবন।
৭. বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের জেলা- বান্দরবন
✅বিভিন্ন দিকে জেলা
⏪বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
⏫বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা- পঞ্চগড়।
⏬ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা- কক্সবাজার
১. স্বাধীনতালগ্নে বাংলাদেশে জেলা ছিল’———-১৯ টি।
২. মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথম শত্রুমুক্ত হয় –—————যশোর (৬ ডিসেম্বর)
৩. বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা ———–যশোর
৪. প্রথম পর্যটন জেলা’——-মৌলভীবাজার
↘উপজেলা সম্পর্কিত তথ্য:-
⏫ বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে অবস্থিত উপজেলা- তেঁতুলিয়া(পঞ্চগড়)
⏬ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা – টেকনাফ (কক্সবাজার)
⏩ বাংলাদেশের সর্ব পূর্বে অবস্থিত উপজেলা- থানচি (বান্দরবান)
⏪বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা –শিবগঞ্জ ( চাঁপাইনবাবগঞ্জ)
১ জনসংখ্যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম উপজেলা- থানচি
০২. জনসংখ্যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজেলা—-বেগমগঞ্জ (নোয়াখালী), তবে অনেক জাইগায় গাজীপুর লেখা আছে।
↘থানা সম্পর্কিত
১. বাংলাদেশে মোট থানা- ৬৩৯ টি, ডিএমপি ৪৯ টি।
২. সর্বশেষ থানা- মাধবদী ( নরসিংদী), মহিপুর (পটুয়াখালী) , দুটোই একই দিনে হয়।
৩. আয়তনে বড় থানা-শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)
৪. আয়তনে ছোট থানা কোতোয়ালী(ঢাকা)।
৫. জনসংখ্যায় বড় থানা-বেগমগঞ্জ (নোয়াখালী)।
৬. জনসংখ্যায় ছোট থানা- রাজস্থলী (রাঙামাটি)।
৭. সর্ব উত্তরের থানা-তেঁতুলিয়া।
৮. সর্ব দক্ষিণের থানা-টেকনাফ।
৯. সর্ব পূর্বের থানা -থানচি।
১0. সর্ব পশ্চিমের থানা-শিবগঞ্জ।
↘ইউনিয়ন ও পৌরসভা:–
১. মোট ইউনিয়ন -৪৫৫৪ টি।
💯সর্ববৃহৎ ইউনিয়ন -সাজেক (বাঘাইছড়ি, রাঙ্গামাটি) । সর্ব ক্ষুদ্রতম ও দক্ষিণের ইউনিয়ন -সেন্টমার্টিন।
২. মোট পৌরসভা ৩২৭ টি।
সর্বশেষ পৌরসভা -দোহাজারী (চট্টগ্রাম) ।
৩. মোট সিটি কর্পোরেশন -১১ টি। সর্বশেষ – গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন (৭ জানুয়ারি, ২০১৩) ।
৪. বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্রামের নাম- বানিয়াচং (হবিগঞ্জ), এটি এশিয়ার বৃহত্তম গ্রাম।
↘ স্থান ও দিক সম্পর্কিত:–‘-
⏫ বাংলাদেশের বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান- জায়গীর জোত, বাংলা বান্ধা।
⏬বাংলাদেশের সর্ব

মোবাইলের প্রয়োজনীয় কোডসমুহ


🔰গ্রামীণফোনঃ 2#
🔰রবিঃ
14024#
🔰বাংলালিঙ্কঃ *511#
🔰টেলিটকঃ *551#

🔰এয়ারটেলঃ 1216*3#

☑️ইমারজেন্সী ব্যালেন্স কোডঃ —
🔰গ্রামীণফোনঃ 10101#
🔰রবিঃ 88111#
🔰বাংলালিঙ্কঃ *874#
🔰টেলিটকঃ *1122#

🔰এয়ারটেলঃ 14110#

☑️ইন্টারনেট ব্যালেন্স কোডঃ
🔰গ্রামীণফোনঃ 56610#, 56613# , 567#
🔰রবিঃ *8444
88#, 22281#
🔰বাংলালিঙ্কঃ1245#, 2223#
🔰টেলিটকঃ *152#

🔰এয়ারটেলঃ 77839#, 7784#

☑️মোবাইল ব্যালেন্স কোডঃ
🔰গ্রামীণফোনঃ *566#
🔰রবিঃ *222#
🔰বাংলালিঙ্কঃ *124#
🔰টেলিটকঃ *152#
🔰এয়ারটেলঃ *778#

🔰আউটসাইড নলেজ

☑️প্যাকেজ চেক কোডঃ
🔰গ্রামীণফোনঃ 11172#
🔰রবিঃ *140
14#
🔰বাংলালিঙ্কঃ 125#
🔰টেলিটকঃ unknown
🔰এয়ারটেলঃ *121
8#

🔰আউটসাইড নলেজ

☑️চেক অফার কোডঃ
🔰গ্রামীণফোনঃ 4441*2#
🔰রবিঃ *999#
🔰বাংলালিঙ্কঃ *7323#
🔰টেলিটকঃ unknown

🔰এয়ারটেলঃ 2221#

☑️কাস্টমার কেয়ার নাম্বারঃ
🔰গ্রামীণফোনঃ 121, 01711594594
🔰রবিঃ 123, 88 01819 400400
🔰বাংলালিঙ্কঃ 111
🔰টেলিটকঃ 121, 01500121121-9
🔰এয়ারটেলঃ 786, 016 78600786

সৌজন্যেঃ মোঃ নুরে অালম নুর

পরিচালক

লালমোহন পোস্ট ই সেন্টার

লালমোহন, ভোলা।

জানুয়ারী-জুন’ ২০১৭ইং পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ


Source: জানুয়ারী-জুন’ ২০১৭ইং পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ

অাপনার প্রিয় জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জেনে নিন!!!



১২৩৫ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গোপসাগরের মাঝে বিশাল একটি চরের উত্থান হয়। ১৩০০ খ্রিস্টাব্দে সেই চরে লোকজন বসতি শুরু করতে থাকে। ১৫০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুরা দ্বীপটি দখল করে ঘাঁটি স্থাপন করে। ঐ সময় সম্রাট আকবরের অন্যতম সেনাপতি শাহবাজ খান মগ বর্তমান দৌলতখানে একটি দূর্গ স্থাপন করেন। তাঁর নামানুসারে সুবেদারি আমলে দ্বীপটির নামকরণ করা হয় শাহবাজপুর। কালের বিবর্তনে পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন করে ভোলা রাখা হয়। ৩৪০৩.৪৮ বর্গ কি.মি. আয়তনের দ্বীপটি ১৯৮৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের একটি প্রশাসনিক জেলা হিসাবে পথচলা শুরু করে এবং সাম্প্রতিক সময়ে “কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ” উপাধি পায়।
বাংলাদেশের সবেচেয়ে বড় দ্বীপ এবং একমাত্র দ্বীপজেলা ভোলার উত্তরে ও পূর্বে মেঘনা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তর-পূর্ব কোণে ইলিশা, দক্ষিণ-পূর্ব কোণে শাহাবাজপুর এবং পশ্চিমে তেঁতুলিয়া নদী বহমান।
ভোলার নদী পথ অনেকটা এলাকা জুড়ে বিস্তৃর্ণ। ভোলা জেলার আভ্যন্তরীণ নৌ-পথগুলো ছাড়াও রাজধানী ঢাকার সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি নৌ-রুট। প্রত্যেকটি রুটের’ই রয়েছে নিজস্ব নৌযান এবং নিজ নিজ রুট স্বকীয়তা। যার ফলে স্থানীয় লোকজন নিজ নিজ এলাকা হতে রাজধানী ঢাকা অথবা নির্দিষ্ট গন্তব্যপথ পাড়ি দিতে পারছে খুব সহজেই।
ভোলা জেলার উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্ববহ নৌ-পথগুলো হলো,

ভোলা – ঢাকা : ভোলা লঞ্চঘাট থেকে যাত্রা শুরু করে কোন প্রকার বিরতি ছাড়া ১৯৫ কি.মি. নদীপথ সরাসরি পাড়ি দিয়ে ঢাকা নদী বন্দরে পৌঁছানোর মাধ্যমে এ রুটের নৌ-যানগুলো যাত্রার সমাপ্তি করে। দ্রুতগামী, মানসম্মত সেবা ও বিলাসবহুলতার চিহ্ন হিসেবে বিবেচনা করা হয় ভোলা – ঢাকা’র নৌ-যানগুলোকে। এ রুটের নৌ-যানগুলো হলো, এম.ভি ভোলা, সম্পদ, বালিয়া, দিঘলদী, কর্ণফুলী-৯, ১০ ও ১১ এবং গ্লোরি অব শ্রীনগর-৭। বলতে গেলে, ভোলার প্রায় সব লোকই যাতাযাতের মাধ্যম হিসেবে নৌ-পথকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। ফলে ভোলাবাসীর যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে নৌ-যানগুলো অনেকটাই আস্থার প্রতীক।

বলা বাহুল্য, ভোলা কলঘাট এলাকায় একসময় স্টিমারঘাট ছিল। নদী ছোট হওয়ার মিছিলে হারাতে হয়েছে সেই ঐতিহ্য। যা এখন কেবল ধুলোপরা ইতিহাসের সাক্ষী।
দৌলতখাঁন – ঢাকা : দৌলতখাঁন – ঢাকা রুটের নৌ-যাগুলো যাত্রা শেষ করে ১৭৯ কি.মি. নৌ-পথ পাড়ি দেবার মাধ্যমে। পথের মাঝে তুলাতলি, কাঠিরমাথা, দাশেরহাট, বিশ্বরোড, বঙ্গেরচর, মল্লিকপুর, কালিগঞ্জ ঘাটগুলো ধরে ঢাকা যায়। এ রুটে যে সব পণ্যের চালান ঢাকায় পাঠানো হয় তার মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ অন্যতম। তবে ইলিশ মাছের চালান সর্বাধিক। পণ্যের চালান ও যাত্রীর কলরবে বেশ জাকজমকপূর্ণ নৌ-রুটে পরিণত হয়েছে দৌলতখাঁ – ঢাকা রুট। এ রুটের নৌ-যানগুলো হলো কর্ণফুলি -১, এম.ভি ফ্লোটিলা, টিপু এবং ফারহান।
বেতুয়া (চরফ্যাশন) – ঢাকা : এই রুটটি অত্যন্ত গুরুত্ববহ ও জনপ্রিয় রুট। স্থানীয় লোকজনের পাশাপাশি অন্যদের কাছেও দিনদিন রুটটি বেশ পছন্দের হয়ে উঠছে। বিশেষ করে পর্যটকদের কাছে। বেতুয়া (চরফ্যাশন) হতে এ নৌরুটের নৌযানগুলো পর্যায়ক্রমে হাকিম উদ্দিন, সরাশগঞ্জ, মির্জাকালু, তজুমদ্দিন, শশীগঞ্জ, সি-ট্রাক ঘাট, মঙ্গল সিকদার ঘাট হয়ে ২৪৬কি.মি. সুদীর্ঘ পথ পাড়ি দেবার মাধ্যমে যাত্রা শেষ করে। এ রুটে চলাচলকারী লঞ্চ এম.ভি ফারহান-৫ ও ফারহান-৬ বৃহদাকার এবং আধুনিক মানের। ব্যবসায়িক পণ্য এবং ইলিশ মাছের পাশাপাশি মৌসুমভেদে তরমুজ, শশা, সুপারি, পান, শুঁটকি, নারিকেল রাজধানীতে পাঠানো হয় এ রুটের নৌযানগুলোতে।
হাতিয়া – মনপুরা – ঢাকা : এই নৌ পথটি জনবহুল ও জনপ্রিয় রুটের মধ্যে অন্যতম। এর প্রধান কারণ, ভোলা জেলার মূল ভূ-খন্ড হতে বিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দ্বীপ মনপুরার মানুষের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা নৌযান। হাতিয়া থেকে যাত্রা শুরু করে মনপুরা, কালিগঞ্জ, বিশ্বরোড, দৌলতখাঁ, হাকিমউদ্দিন, সরাশগঞ্জ, মির্জাকালু, তজুমদ্দিন ঘাট দেয়া শেষে রাজধানি ঢাকা যায় ২৩৩ কি.মি. নদী পথ পাড়ি দিয়ে। এ রুটের চলাচল করে আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন নৌ-যান ফারহান-৩ এবং ফারহান-৪।  অন্যান্য রুটের মত এ রুট দিয়েও সব ধরণের পণ্য, মালামাল আনা নেয়া করা হয়। সাথে ইলিশ ও অন্যান্য প্রজাতির মাছতো আছেই।

বলে রাখা ভালো, হাতিয়া মূলত নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত বেশ কয়েকটি উপকূলীয় দ্বীপ নিয়ে গঠিত নদীবেষ্টিত একটি উপজেলা। যার মধ্যে নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের দ্বীপ হিসেবে পরিচিত নিঝুমদ্বীপ অন্যতম। কাজেই নদীবেষ্টিত জনপদ হওয়ায় এখানকার মানুষের অন্যতম পছন্দের নৌ-রুট এটি।
হাজীরহাট (মনপুরা) – চাঁদপুর – ঢাকা : খুব বেশিদিন হয়নি এ রুটে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। এ জনপদের মানুষ আগে মনপুরা দিয়ে রাজধানীতে যাতায়ত করতো। এতে তাদের সময় নষ্টসহ অনেক ভোগান্তি পোহাতে হতো। তাইতো ব্যবসায়ি এবং যাত্রী সাধারণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে নতুন এ রুটটি চালু করা হয়েছে। অল্পদিনে ঢাকা – হাজীরহাট রুটটি বেশ জনপ্রিয় রুটের একটি হয়ে উঠেছে। হাজীরহাট থেকে যাত্রা শুরু করে রামনেওয়াজ, তজুমদ্দিন, মির্জাকালু, সরাশগঞ্জ, হাকিমদ্দিন, দৌলতখাঁ, লুদুয়া, মতিরহাট, বিশ্বরোড, কালিগঞ্জ ঘাট ধরে ঢাকা সদরঘাটে পৌঁছে দীর্ঘ যাত্রার ইতি টানে। এ রুটের লঞ্চ এম.ভি টিপু-৫ এবং পানামা। এখান দিয়েও একই ধরণের পণ্য আনা-নেয়া করা হয়।
ঘোষেরহাট – নাজিরপুর – ঢাকা : এ রুটটি বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয় বলা যায়। ২০৭ কি.মি. সু প্রসারিত এই নৌ-পথটি পাড়ি দিতে নৌ-যানগুলো ফতুল্লা, ধুলিয়া, দেউলা, দেরীরচর, কচুখালি, গজারিয়া,  পাংগাশিয়া লঞ্চ ঘাটের পল্টুনগুলো ধরে ছুটে চলে ঢাকা নদী বন্দরের দিকে। এখান দিয়েও সব ধরণের পণ্য, মালামাল আনা-নেওয়া করা হয়, সাথে শুঁটকিও। কর্ণফুলি -৪, সাব্বির, শাহরুখ, প্রিন্স অব রাসেল এ রুটের অন্যতম জনপ্রিয় নৌযান।
লালমোহন – ঢাকা : লালমোহন – ঢাকা নৌপথের ব্যাপ্তি ২০১ কি.মি.। এতটা দীর্ঘ পথের মধ্যে নৌযানগুলো নাজিরপুর, দেবীরচর, ভেরীর মাথা, ফরাসগঞ্জ ঘাটে নির্দিষ্ট সময় যাত্রা বিরতি করে থাকে। যাত্রী, ব্যাবসায়িক পণ্যসহ অন্যান্য পণ্যের চালান করা হয় উক্ত নৌপথের মাধ্যমে। কাজেই বেশ জমজমাট রুট এটি। এই রুটের নৌযান গ্লোরি অব শ্রীনগর-৩ ও কর্ণফুলী-৩ দু’টোই বিলাসবহুল।
লেতরা – ঘোষেরহাট – ঢাকা : ২০৭ কি.মি. দীর্ঘ এ নৌ রুটটি বর্তমানে পরিচিত রুটের একটি। এ রুটের নৌযানগুলো ধুলিয়া, দেবীর চর, দেউলা, নাজিরপুর, গজারিয়া,  চর কলমি, বোয়ালখালি, বকসি ভায়া ঘাট ধরে রাজধানী ঢাকা গিয়ে যাত্রার সমাপ্তি করে। এখান থেকেও শুঁটকির চালান যায়। পাশাপাশি অন্যান্য পণ্যতো আছেই। চলাচলকারী নৌ-যান জামাল-১ এবং জামাল-৩।
বোরহানউদ্দিন – গঙ্গাপুর – ঢাকা : এ রুটের চলাচলকারী নৌযানগুলো গঙ্গাপুর, ধুলিয়া, মাঝিরহাটের পথ ধরে ১৯৮ কি.মি. দীর্ঘ নৌ-পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকা নদী বন্দর পৌঁছায়। বন্ধন-৭, রণদূত প্লাস, গাজী সালাউদ্দিন, জাহিদ-৭ এ রুটের মানুষের কাছে বেশ পছন্দের নৌযান।
এবার আসি ভোলা নৌ-পথের ডুবোচর ও নাব্যতা সংকট বিষয়ে। ভোলা নৌ-পথে বেশ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট রয়েছে, রয়েছে কিছু সরু চ্যানেল ও ডুবোচর এলাকা। এসব এলাকা দিয়ে শুকনো মৌসুমে নৌ-যান চলাচল বেশ কষ্টসাধ্য এবং দুর্বিসহ বটে। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে ভোলা টার্মিনাল হতে ভেদুরিয়া চ্যানেল, লালমোহনের সরু নদী, বোরহানউদ্দিন সরু চ্যানেল, নাজিরপুর ঘাটের প্রবেশ দ্বার, সাতবাড়িয়ার ঘোল, চোটকির ঘোল ইত্যাদি। এছাড়াও তেঁতুলিয়া নদীতে রয়েছে বেশ কিছু অদৃশ্য ডুবোচর আর এই ডুবোচরে আটকে দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে ভোলা, লালমোহন, চরফ্যাশন, নাজিরপুর ও ঘোষেরহাট রুটের যাত্রীরা। তজুমদ্দিনের বাদশামিয়ার চর, ইলিশার কালুর চর, দেউলিয়ার ঘাট, ভেরীর মাথায়ও রয়েছে এ রকম একই সমস্যা। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নেই বিকন বয়া বাতি। যার ফলে মাস্টারদের কিছুটা অনুমান করে চালাতে হচ্ছে নৌযান। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৭ নভেম্বর রাতে নাজিরপুর ঘাট সংলগ্ন এলাকায় এম.ভি কোকো-৪ নৌযানটি ডুবে যাওয়ার ফলে সেখানের আসে পাশে ব্যাপক পলি পরায় ব্যাহত হচ্ছে নৌ-যান চলাচলে। 

আমরা এ প্রতিবেদনের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি। কারণ, নদী বাঁচলেই তো বেঁচে থাকবে নৌপথ। দূর হবে সমস্যা। 
চাইলে আপনি ও ঘুড়ে আসতে পারেন সমগ্র ভোলার নৌ-রুট বা আপনার পছন্দের নৌ-রুট। উপমহাদেশের সর্বোচ্চ ওয়াচ টাওয়ার (চরফ্যাশন), শাহাবাজপুর গ্যাস ফিল্ড (বোরহানউদ্দিন), দেশের দ্বিত্বীয় সুন্দরবন খ্যাত চর কুকরিমুকরি (চরফ্যাশন), প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের  লীলাভূমি মনপুরার দুরন্ত হরিণপাড়া, জাতীয় মঙ্গলের কবি মোজাম্মেল হক, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী আজন্ম বিপ্লবী  কমিউনিষ্ট নেতা কমরেড নলিনী দাস এবং শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামালের এই জেলা শহর আপনার তৃপ্ততা বাড়িয়ে দিবে কয়েক গুণ….
নৌ-পথ যুগ  যুগ তার যৌবন ধরে রাখুক। ধরে রাখুক নদী তার নিজস্ব ধারা, সেই ধারার সাড়ার টানে বেঁচে থাক সমগ্র ভোলার নৌ-পথের ঐতিহ্য, ইতিহাস সভ্যতা ও পুরানো জৌলুস…!

মাষ্টার্স ভর্তি ফলাফল প্রকাশ


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স (প্রফেশনাল) ভর্তি কার্যক্রমের মেধা তালিকা ১৩ জুন ২০১৭ তারিখ প্রকাশ করা হবে।
মেধা তালিকায় স্থান প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ১৪/০৬/২০১৭ তারিখ থেকে ১০/০৭/২০১৭ তারিখের মধ্যে অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণ করে পূরণকৃত চূড়ান্ত ভর্তি ফরম প্রিন্ট করে রেজিস্ট্রেশন ফি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ ১৪/০৬/২০১৭ তারিখ থেকে ১১/০৭/২০১৭ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে।

এই নিউজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ।

সরাসরি আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে করণীয়


১। প্রশ্নঃ ID Card হারিয়ে গিয়েছে। কিভাবে নতুন কার্ড পেতে পারি?
উত্তরঃ নিকটতম থানায় জিডি করে জিডির মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেল/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

২। প্রশ্নঃ হারানো আইডি কার্ড পেতে বা তথ্য সংশোধনের জন্য কি কোন ফি দিতে হয়?
উত্তরঃ এখনো হারানো কার্ড পেতে কোন প্রকার ফি দিতে হয় না। তবে ভবিষ্যতে হারানো আইডি কার্ড পেতে/সংশোধন করতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি ধার্য করা হবে।

৩। প্রশ্নঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে করা যায় কি?
উত্তরঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে সম্ভব নয়। আগে হারানো কার্ড তুলতে হবে, পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে।

৪। প্রশ্নঃ হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড কিভাবে সংশোধন করব?
উত্তরঃ প্রথমে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন করে তারপর সংশোধনের আবেদন করতে হবে।

৫। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / স্লিপ হারালে করণীয় কি?
উত্তরঃ স্লিপ হারালেও থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদন পত্র জমা দিতে হবে।

৬। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / ID Card হারিয়ে গেছে কিন্তু কোন Document নেই বা NID নম্বর/ ভোটার নম্বর/ স্লিপের নম্বর নেই, সে ক্ষেত্রে কি করণীয়?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস থেকে Voter Number সংগ্রহ করে NID Registration Wing/ উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।

৭। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদি পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব?
উত্তরঃজাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রাদি সহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করে বিবেচনা করা হবে।

৮। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয় পত্রের মান বর্তমানে তেমন ভালো না এটা কি ভবিষ্যতে উন্নত করার সম্ভাবনা আছে?
উত্তরঃ হ্যাঁ। আগামীতে স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদানের জন্য কাযর্ক্রম চলমান আছে যাতে অনেক উন্নত ও আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ থাকবে এবং মান অনেক উন্নত হবে।

১। প্রশ্নঃ আমি যথা সময়ে ভোটার হিসেবে Registration করতে পারিনি। এখন কি করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে যথাযথ কারণ উল্লেখপূর্বক আবেদন করতে পারেন।

২। প্রশ্নঃ আমি বিদেশে অবস্থানের কারণে Voter Registration করতে পারিনি, এখন কিভাবে করতে পারবো?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে বাংলাদেশ পাসপোর্ট-এর অনুলিপিসহ জন্ম সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, এসএসসি (প্রযোজ্যক্ষেত্রে) সনদ, ঠিকানার সমর্থনে ইউটিলিটি বিলের কপি বা বাড়ী ভাড়া বা হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদের কপিসহ আবেদন করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ফর্মসমূহ পূরণ করতে হবে।

জনস্বার্থে লালমোহন পোস্ট সেন্টার